23 শুধুই অন্ধকারে

এক দূরন্ত ষোড়শী যৌবনা বৃষ্টিতে ভিজে একাকার;
মেঘলা তবুও দেখে না অবাধ্য বরষা;
বাতাসে খুঁজে পায় শুধু ভিজা মাটির গন্ধ ।
হাত পা ছড়িয়ে থাকা বটগাছটির আড়ালে
ভালোবাসার মানুষগুলোর ছেলেমানুষী;
মেঘলা কখনো দেখে না; শুধু কানে আসে খিলখিল হাসিটুকু ।
অতীতের কিশোরী গোলাপটি
পরাগায়নে আজ গর্ভবতী;
মেঘলার চোখে পড়ে না
প্রথমবারের মতন মা হওয়ার সুখানুভূতি ।
সূর্যোদয়ের সেই সময়টা,
সীমাহীন সাগরের ঢেউয়ের আসা-যাওয়া,
আকাশছোঁয়া শৃঙ্গ,
ভোরের কুয়াশা,
ঘাসের বুকের শিশির,
গাঢ় সবুজ কার্পেটের চা-বাগানে জোনাকিদের অস্থিরতা লুকোচুরি ,
দীঘিতে পূর্ণিমার প্রতিবিম্ব,
মেঘলা জানে না-
কেমন এই অসম্ভব চমৎকার দৃশ্যগুলো ।
মেঘলা দেখতে চায় না তা নয়;
মেঘলা দেখতে চায়
প্রাণভরে অন্তত এক মুহূর্তের জন্যে ;
কিন্তু এ কি আদৌ সম্ভব ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *